গোলাপগঞ্জের কাঁচাবাজার নদীভাঙ্গনের কবলে, আতংকে ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত: ৩:০২ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১২, ২০১৭

গোলাপগঞ্জের কাঁচাবাজার নদীভাঙ্গনের কবলে, আতংকে ব্যবসায়ীরা
জাহিদ উদ্দিন, গোলাপগঞ্জ : সিলেটের গোলাপগঞ্জের কাচাঁবাজার নদীভাঙ্গন কবলে পড়েছে। ইতিমধ্যে   বাজারের পাশের একটি বিশাল অংশ সুরমা নদীতে তলিয়ে গেছে। পাশ্ববর্তী আরেকটি স্থানে দেখা দিয়েছে বিরাট একটি ফাটল। যে কোন সময় ওই অংশটিও নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন বাজারের ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে পাশে থাকা কয়েকটি কলনি ও কাঁচা বাজার, ও বাজার মসজিদ।
স্থানীয় লোকজন জানান, দীর্ঘ দিন থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে ঝুঁকির মধ্যে পরেছে স্থানীয় কাঁচাবাজার সহ নদী তীরবর্তী এলাকাবাসী। গত কয়েকদিন আগে কাঁচাবাজারের পাশ্বে হঠাৎ করে বিরাট একটি অংশ কয়েকটি গাছসহ সুরমা নদী গর্ভে চলে যায়।
তলিয়ে যাওয়া ভূমির মালিক স্থানীয় ব্যবসায়ী শামছুল ইসলাম মন্টু মিয়া জানান, এখানে আমার আধা কিয়ার(১৫ শতক) জায়গা নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। তিনি এই ক্ষতির জন্য অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের দায়ি করে বলেন, নদীর পাশ্ববর্তী আমার একটি কলনিও রয়েছে চরম ঝুঁকির মধ্যে।
খুঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে কয়েকটি বালুখেকো চক্র সুরমা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। অধিক বালু উত্তোলনের কারণে গোলাপগঞ্জ বাজার মসজিদের বড় একটি অংশ, কাঁচাবাজারের বড় একটি অংশ, এমসিএকাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের দুটি ভবণ, স্বরসতি গ্রামের শতাধিক বাড়িঘর, রানাপিং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সীমানা প্রাচীর, বাঘা মাদ্রাসার একাংশ, বাঘার রুস্তমপুর এলাকার শতাধিক ঘরবাড়ি, বাঘা লালনগরের শতাধিক ঘরবাড়ী নদীভাঙ্গনের কারণে রয়েছে চরম ঝুঁকির মধ্যে।
গোলাপগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী হারুন আহমদ জানান, কাঁচাবাজারের নিকটবর্তী সুরমা  নদীরভাঙ্গন চরম আকার ধারণ করায় ব্যবসায়ীরা রয়েছে আংকের মধ্যে। নদীভাঙ্গন রোধে এখনি ব্যবস্থা না নিলে কাঁচাবাজারটির অস্তিত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জানান, নদীভাঙ্গনের বিষয়টি আমি অবগত নই। ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করবেন বলে জানান তিনি।

এই সংবাদটি 734 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ