কুশিয়ারা নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার উৎসব

প্রকাশিত: ৮:০৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ৯, ২০১৯

কুশিয়ারা নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার উৎসব

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নোয়াগাঁও, আলমপুর, ভালিশ্রী সহ বিভিন্ন গ্রামের নদীর তীরবর্তী কুশিয়ারা নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য দেখা যায়। প্রত্যেক বছর ফাল্গুনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে আসেন।


সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী স্থানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে লোকজন আসছেন। তাদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, বড়শি পানিতে ফেলে মাছ ধরার মজাই আলাদা। কারও নেশা এতটাই প্রগাঢ় যে, ছিপ ফেলে অপেক্ষা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আর ধৈয্যের খেলায় একটি মাছ যখন উঠে? আনন্দের শেষ নেই। আর যদি সেই মাছটি হয় তিন কেজি বা তার চেয়েও বড়? তাহলে তো কথাই নেই। গ্রাম বা মফস্বলে ছিপ ফেলে মাছ ধরার নেশায় মত্তদের খুঁজে পাওয়া কঠিন না। কুশিয়ারা নদীর পাড়ে ছিপ ফেলে যারা দিনভর বসে থাকেন তাদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় যখন মাছ তাদের টোপ খায়। তখনি সুতায় পড়ে টান, টোন বা ফাতনা পানিতে ডোবে আর ভাসে। ছিপে টান দিয়ে গোড়ার হুইল দ্রুতলয়ে ঘোড়াতে থাকেন শিকারি। খানিকটা হাঁটতেই দেখা গেল, একটি বড়শিকে ঘিরে ভিড়। এগিয়ে দেখতে ফেলাম বড় একটা গোয়াল মাছ উঠিয়েছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তারা বড়শি ফেলে বসে থাকেন অপেক্ষায়। কখন মাছ টোপ গিলবে। এটাই তাদের মজা, এটাই তাদের আনন্দ। এক্ষেত্রে তাদের শখের যোগান দেয় কুশিয়ারা নদীর পার।


বড়শি শিকারী ইসলামপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম বলেন, মাছ শিকারের সুযোগ এসেছে। তাই সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি মাছ শিকারে, তবে মাছ ধরতে এসে লাভ লোকসানের এমন হিসাব কষলে চলে? এগুলো কেউ চিন্তাও করে না। বিগত কয়েক দিনে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করছি। নিজের পরিবারকে নিয়ে মাছ খেয়েছি।
বড়শি শিকারী নোয়াগাঁও গ্রামের ফারুক মিয়া বলেন খুব ভালো লাগছে। শূন্য হাতে বাড়ীতে ফিরে যেতে হবে না-বললেন ফারুক । মাছ বেশি পেলে বিক্রি করে দেন? না, না যা পাই বাড়ীতে নিয়ে যাই। এজন্য শখে মাছ শিকার করি

এই সংবাদটি 1335 বার পঠিত হয়েছে