ঢাকা |
প্রকাশিত: ১:১২ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮
বিশেষ প্রতিনিধি : কুলাউড়া পৌর শহরে দিনে দুপুরে অস্ত্র ধরে প্রবাসীর স্ত্রীর নিকট থেকে আড়াই লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বত্তরা। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, পূবালী ব্যাংক কুলাউড়া শাখা থেকে ২ জানুয়ারী মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক ২টায় আড়াই লক্ষ টাকা উত্তোলন করে মৌলভীবাজারের শান্তিবাগ বাসায় ফিরছিলেন রেহেনা আক্তার চম্পা (৪৫)। কুলাউড়া সিএনজি অটোরিক্সা স্ট্যান্ড থেকে তার মেয়েকে নিয়ে একটি সিএনজি অটোরিক্সা (মৌলভীবাজার-১২-৫১০৩) যোগে কুলাউড়া মৌলভীবাজার সড়কে পৌরসভা এলাকার কাপুয়া ব্রিজের কাছে পৌছামাত্র একটি মোটর সাইকেলে ৩ যুবক গাড়ির গতিরোধ করে। এসময় ছিনতাইকারীরা ছুরির ভয় দেখিয়ে মহিলার টাকা ভর্তি ভ্যানেটি ব্যাগ নিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। গৃহবধু রেহেনা আক্তার জানান, তার মুল বাড়ি উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের রামপাশা গ্রামে। মৌলভীবাজারের শান্তিবাগাবাসিক এলাকায় বসবাস করেন। স্বামী কাতার প্রবাসী মোঃ মোতাহের। পারিবারিক প্রয়োজনে তিনি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেন। ছিনতাইকারীরা যে টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নেয় তাতে টাকা ছাড়াও তার ব্যবহৃত সোনার ব্রেসলেট যার আনমানিক মুল্য ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া ৩টি জাতীয় পরিচয়পত্র ছিলো। সিএনজি অটোরিক্সা চালক কৃপেশ দেব জানান, ছিনতাই কাজে দুর্বৃত্তরা ২টি মোটর সাইকেল ব্যবহার করে। একটি সিএনজি অটোরিক্সাকে পেছন দিক থেকে ধাক্কা মারে এবং অপরটি গতিরোধ করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) আবু ইউসুফ ও থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শামীম মুসাসহ পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ছিনতাই রহস্য উদঘাটনে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধারণকৃত দৃশ্যের মাধ্যমসহ জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম মূসা জানান।
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।