কবরস্থান কেটে জবর দখলের অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রকাশিত: ১১:২৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৮, ২০১৯

কবরস্থান কেটে জবর দখলের অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ

গত ৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘বড়লেখায় কবরস্থান কেটে পরিবেশ বিপর্যয় ও জবর দখলের অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বড়লেখা উপজেলার পকুয়া গ্রামের আলতাফ হোসেন।
প্রতিবাদ লিপেতে তিনি বলেন,
আলতাব হোসেন, আনোয়ার হোসেন ও কবীর আহমদ টিপু নামক ৩ ব্যক্তির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক কবরস্থানের টিলা কেটে পরিবেশ বিপর্যয়, পুরাতন কবর নিশ্চিহ্ন ও ভুমি জবর দখলের অভিযোগ বিষয়টি সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমুলকভাবে প্রচার করা হয়েছে।
সংবাদে উল্লেখিত উপজেলার পকুয়া গ্রামের মৃত হোছন আলীর ছেলে তাজুল ইসলাম পকুয়া মৌজার ৮০০ নং দাগের কবরস্থান (প্রাকৃতিক টিলা) শ্রেণীর ২৭ শতাংশ ভুমির মৌরসী মালিক কথাটি সঠিক নয় বরং তিনি একজন অংশীদার এবং প্রাকৃতিক টিলা নয় এটা একটি পারিবারিক কবরস্থান ।

এছাড়া জোরপূর্বক কবরস্থানের কোন মাটি কাটা হয়নি। উক্ত কবরস্থানের অন্যান্য অংশীদােেরর সাথে আমি আলতাফ হোসেন গং ও একজন অংশীদার হলেও অন্যান্যরা মৌরসী পৃথক বাড়ীতে বসবাস করে আসছেন কিন্তু আমি আলতাফ হোসেন গং মৌরসী কবরস্থান সংলগ্ন বাড়ীতে ভাগ ভাটোয়ারা মতে বসবাস করে আসছি । সেই সুবাদে আমার বাড়ীর সাথে পারিবারিক কবরস্থান হওয়ায় আমি কবরস্থানের সাথে বাড়ীর সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও ঘর, উঠান বসবাসযোগ্য করতে হচ্ছে। কবরস্থানের কোন গাছ কাটা হয়নি, কোন কবর নিশ্চিন্ন করা হয়নি এমনকি কবরস্থানের ২৭ শতক ভূমি বিদ্যমান আছে।

তদুপরি আমাদের পারিবারিক কবরস্থানের অংশীদারগণ দীর্ঘদিন থেকে ঘর তৈরী, বাড়ীর উঠানের সৌন্দর্য বর্ধন, গাছপালা রোপন ইত্যাদি কাজে বাধাঁ বিঘ্ন করে আসছেন। তাজুল ইসলাম গং কতিপয় প্রভাবশালী ও কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে আমাকে নানা ভয়ভীতি ও হয়রানী মুলক মামলার ভয় দেখিয়ে আসছেন এবং থানায় ও কৌর্টে হয়রানীর জন্য মিথ্যা মামলা দায়ের করছেন। কোন উপায়ান্তর না পেয়ে এবং সালিশে বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় আমি জর্জ কোর্ট মৌলভীবাজারে স্বত্ব মোকাদ্দমা মামলা দায়ের করি। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে ১নং বিবাদী তাজুল ইসলাম, ২নং আলা উদ্দিন, ৩নং আব্দুল হাছিব (খাতিব) সর্ব পিতা মো: হোসন আলী সাং পকুয়া, ডাক: দৌলতপুর বাজার উপজেলা: বড়লেখা, জেলা: মৌলভীবাজার ৪নং মিজানুর রহমান ৫নং কাওছার আহমেদ, উভয় পিতা আলা উদ্দিন, সাং পকুয়া, ডাক: দৌলতপুর বাজার উপজেলা: বড়লেখা, জেলা: মৌলভীবাজার, ৬নং সিরাজ উদ্দিন , পিতা মৃত জহির আলী ৭ নং সমছ উদ্দিন পিতা মৃত: মনাফ আলী, উভয় সাকিন সুফিনগর, ডাক সুজাউল মাদ্রসা, উপজেলা: বড়লেখা, জেলা: মৌলভীবাজার ৮নং আব্দুল করিম ৯নং ফাতেমা বেগম, ১০ নং জুলেখা বেগম সর্ব পিতা মৃত সিকন্দর আলী সাং পকুয়া, ডাক: দৌলতপুর বাজার উপজেলা: বড়লেখা, জেলা: মৌলভীবাজার কে আদালত ১ হইতে ৭ নং বিবাদীকে নোটিশ প্রাপ্তির ২০ দিনের মধ্যে কারন দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করেন।

সংবাদে তাজুল ইসলামের অভিযোগ উল্লেখ করেন, বাঁধা নিষেধ উপেক্ষা করে গায়ের জোরে আলতাব হোসেন গংরা তার মালিকানাধীন কবরস্থানের টিলা কেটে গাছ-গাছালি ধংস করেছে। পুরাতন কবর নিশ্চিহ্ন করেছে। তা সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন।

কোন ধর্মপ্রাণ মানুষ কবরস্থান খুঁড়ে ঘর তৈরীর পায়তারা বা কল্পনা করতে পারে এটা সভ্য সমাজ তথা আদালতে কখনো গ্রাহ্য হবেনা। উক্ত সংবাদটি বস্তুনিষ্ট নয় মর্মে প্রতিবাদ লিপিতে আলতাফ হোসেন গং উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সচি/০২/১৯

এই সংবাদটি 849 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ