একান্ত সাক্ষাতকারে পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম: চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম এজন্য লোড শেডিং হয়

প্রকাশিত: ৫:৩৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৭

একান্ত সাক্ষাতকারে পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম: চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম এজন্য লোড শেডিং হয়

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ঘন ঘন বিদ্যুতের লোড শেডিং , বিল বিড়ম্বনা ও অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সময়চিত্র পত্রিকার উদ্যোগে ২৫ সেপ্টেম্বর সোমবার সময়চিত্র পত্রিকার সম্পাদকের সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে লোড শেডিং বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম অভিলাস চন্দ্র পাল বলেন- বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম এজন্য লোড শেডিং হয় তদুপরি জুলাই মাস থেকে বিদ্যুত ব্যব¯’ার অনেক উন্নতি হয়েছে, লোড শেডিং কমে গেছে। তিনি বলেন- আমাদের প্রতিদিনের চাহিদার তুলনায় যে পরিমাণ বিদ্যুত পাই তা অনেক কম। সে কারনে লোড শেডিং বন্ধ করা সম্ভব হ”েছনা। সন্ধ্যায় লোড শেডিং হওয়ায় ব্যবসায়ীদের চরম ক্ষতির বিষয়টি সাংবাদিকরা উল্লেখ করলে ডিজিএম বলেন- সন্ধ্যায় বিদ্যুতের প্রচুর চাহিদা বাড়ে। তবুও দেড় দুই ঘন্টার চেয়ে বেশী এখন লোড শেডিং হয়না। তিনি বলেন- চারখাই গ্রিডের কাজ সম্পন্ন হলে এ সমস্যা অনেকটা কমে যাবে । তিনি বলেন যে হারে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে সে হারে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ছে না। বিদ্যুতের প্রতিনিয়ত চাহিদার ব্যাখ্যায় তিনি উল্লেখ করেন আগের তুলনায় বাড়ী ঘর বাড়ছে , সংযোগ বাড়ছে, রুম বাড়ছে , রুমে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ছে, কল কারখানা বাড়ছে, বাসাবাড়িতে ফ্রিজের ব্যবহার বাড়ছে। সে অনুযায়ী উৎপাদন বাড়ছে না। এছাড়া প্রতিদিন যে পরিমান বিদ্যুত উৎপন্ন হয় তা কুমারগাঁও, ফেঞ্চুগঞ্জ, ও ছাতকে বন্টন করা হয় এবং বন্টন অনুযায়ী আমরা পাই। তিনি বলেন বিয়ানীবাজারে বর্তমানে প্রতিদিন ১৮ থেকে ২০ মেঘাওয়াট বিদ্যুত প্রয়োজন কিš‘ আমরা পা”িছ ১০ থেকে ১২ মেঘাওয়াট তাই লোড শেডিং থেকে উত্তরণ ও নিরবি”িছন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ডিজিএম চারখাই গ্রীড ( সঞ্চালন লাইন) চালুর পর উত্তরণ হবে বলে আশ্ব¯’ করেন। বর্তমানে ব্যবসায়ীদের চরম ক্ষতির বিষয়টি উল্লেখ করে উত্তরণের পথ হিসাবে করণীয় কি? এমন প্রশ্নের জবাবে ডিডিএম অভিলাস চন্দ্র পাল সকল গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে বলেন- আপনারা সাশ্রয়ী হোন, ফ্যান, লাইট, ফ্রিজ ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ রাখুন, বিদ্যুত কম খরচ হয় এসব বাল্ব ব্যবহার করুন, ঘর থেকে বের হলে ফ্যান লাইট বন্ধ করে বের হন।
অতিরিক্ত বিল বিষয়ে গ্রাহকদের সাম্প্রতিক অভিযোগ প্রত্যাখান করেন পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম । তিনি বলেন আমরা মিটার রিডিং ছাড়া কোন বিল করিনা । আপনারা বিলের কপির সাথে মিটার রিডিং মিলিয়ে নিলেই বুঝতে পারবেন। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন তিনি সমান আলো দেয় এমন বাল্ব একটি আছে ৭ ওয়ার্ড, অপরটি আছে ৩৩ ওয়ার্ড দাম একটু কম বেশী হলেও বিদ্যুৎ কম খরচ হয় ওয়ার্ড কম থাকা বাল্বে, এছাড়া ফ্রিজের ক্ষেত্রে ফ্রিজ লোড থাকলে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হয় খালি থাকলে অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। সে কারণে পাশের ঘর থেকে আপনার ঘরের বিদ্যুৎ বিলের তারতম্য হয়।
পলী বিদ্যুতের ডিজিএম’র সাথে মতবিনিময় ও একান্ত সাক্ষঅতকাওে উপ¯ি’ত ছিলেন বিয়ানীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি, সময়চিত্র পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এম.ফয়জুল হক শিমুল, স্টাফ রিপোর্টার ইমরান হোসেন আলম, স্টাফ ফটোগ্রাফার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

 

এই সংবাদটি 523 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ