ঈশ্বরদী অব্যবহৃত বিমান বন্দরকে” সচল করার লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ

প্রকাশিত: ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৭, ২০১৭

ঈশ্বরদী অব্যবহৃত বিমান বন্দরকে” সচল করার লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ

রাজশাহী বিভাগীয় চীফ:
দেশের আর্ন্তজাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমান যোগাযোগের বর্তমান অবস্থাকে, বহুগুণে বৃদ্ধি করার প্রত্যয়ে, যখন দেশব্যাপী শোর-গোল আরম্ভ হয়েছে, ঠিক তেমনি সময়ে, এক সময়কার সরব ও সচল পাবনা জেলাধীন এলাকায় অবস্থিত “ঈশ্বরদী বিমান বন্দর” টিতে কোন বিমান উঠা-নামা করছে না; যা কিনা সচল করার সকল উপযোগিতা এখনো বিদ্যমান। “ঈশ্বরদী বিমান বন্দরটি” স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে তৎকালীন পাকিস্থান সরকার ১৯৬০-৬১ সালে, ১০/১২ শত এস.এ রেকর্ডীয় মালিকদের নিকট হতে ‘চার শত ছত্রিশ একরের’ বেশী ভূমি অধিগ্রহণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৬১-৬২ সালে উক্ত জমিতে বিমান বন্দরটির নির্মাণ সমাপ্ত করতঃ, ১৯৬৩ সালে ঈশ্বরদী-ঢাকা বিমান চলাচল প্রথমবারের মত শুরু হয়। এরপর ১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত, নিয়মিতভাবে এ বিমান বন্দরটি সচল থাকলেও, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে, শত্রু সেনাদের প্রতিহত করা সহ, তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দেয়ার লক্ষ্যে “মিত্র বাহিনী” কর্তৃক একাধিকবার অত্র বিমান বন্দরে বোমা নিক্ষেপ করা হয়। ফলে এ বিমান বন্দরের অবকাঠামো মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতা লাভের পরও, প্রায় ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত বিমান বন্দরটি বন্ধ থাকে। ১৯৭৩ সালের শেষার্ধে বঙ্গবন্ধুর সদয় নির্দেশক্রমে এ বিমান বন্দরটিকে সার্বিকভাবে সংস্কার করার মাধ্যমে ১৯৭৪ সালে তা একটি উন্নত বিমান বন্দর হিসেবে পুনরায় তার যাত্রা শুরু করে। এ যাত্রায় বিমান বন্দরটি ১৯৭৪ সাল থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত ভাল ভাবে সচল এবং কার্যকর ছিল। কিন্তু ১৯৮১ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময় এটি অজ্ঞাতকারণে বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর এরশাদ সরকারের সময় এটিকে পুনরায় চালু করা হলেও ১৯৮৭ সালে আবার বন্ধ হয়ে যায়।
পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালের ১৭ ই জুলাই এটি কে পুনরায় চালু করার আড়াই বৎসর পর, ১৯৯৬ সাল থেকে পুনঃরায় তা বন্ধ হয়ে যায়।সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৩০ শে অক্টোবর এটিকে আবার নব উদ্যোমে চালু করে ২০১৪ সালের ২৫ শে মে পর্যন্ত, স্বাভাবিক এবং সচল রাখার পর, উক্ত তারিখ এর পর থেকে অদ্যাবধি, অঘোষিতভাবে একে নন-অপারেটিভ করে রাখা হয়েছে। বর্তমানে বিশেষ কোন বিমান আসা- যাওয়ার প্রয়োজনের ক্ষেত্রে, তথায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে ১২ (বার) ঘন্টার নোটিশ দিয়ে, অত্যাবশ্যকীয় বিমান পরিচালনার ব্যবস্থা নেয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে এ বিমান বন্দরে কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন –
সিনিয়র এরোড্রাম অফিসার-০১ জন, ম্যানেজার-০১ জন , কারিগরী সহকারী -০২জন, উচ্চমান সহকারী-০১ জন, এমটি ড্রাইভার-০১ জন,ওয়্যারম্যান-০১ জন,ইঞ্জিন ড্রাইভার-০১ জন, নিরাপত্তা প্রহরী-০৪ জন, এরোড্রাম ফায়ারঅপারেটর- ০১ জন, পাম্প ড্রাইভার-০১ জন, ক্লিনার-০২ জন, ফায়ার অপারেটর-০২ জন, অফিস সহকারী -০১ জন, আনসার-১৩ জন, সর্বমোট ৩২ জন। কর্মকর্তা/কর্মচারীদের অধিকাংশের জন্য রয়েছে আবাসিক ব্যবস্থা। তাদের সকলেই সরকারী
খাত থেকে বেতন ভাতাদি বর্তমানে আহরণ করছেন। বর্তমানে এ বিমান বন্দরে ৪৩৬.৬৫ একর জমি, জনবল ৩২ জন সহ সব কিছুই আছে; শুধু নেই বিমান চলাচল ব্যবস্থা। বিভিন্ন কারনে ঈশ্বরদী বিমান বন্দরকে অপারেশনাল করার উপযোগিতা, অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়েছে –
২০১০সালে সরকার অত্র পাবনা জেলাধীন ঈশ্বরদী উপজেলার ‘রূপপুর’ নামক স্থানে ১২০০ মেঃ ওঃ করে দু’টি পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করতঃ মোট ২৪০০ মেঃ ওঃ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে । এতদুদ্দেশ্যে রাশিয়ান ফেডারেশনের সাথে চুক্তি করা হয়েছে; যার আওতায় চলতি ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে, এর প্রথম ধাপের কার্যক্রম সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে। আশা করা হচ্ছে ২০১৭ সাল থেকে এর মূল কাজ আরম্ভ হবে। এক লক্ষ পাঁচ হাজার কোটি টাকার এ মেগা প্রজেক্টের কাজ চলাকালীন এবং তৎপরবর্তীতে কমিশনিং এর পরও, অত্র এলাকায় এনিয়ে চলবে বিশাল কর্মযজ্ঞ। এ কার্যক্রম চলাকালে বৃহৎ সংখ্যক দেশী/বিদেশী নাগরিকের আগমন এ এলাকায় ঘটবে। এতদ-ব্যতীত নিরাপত্তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, উক্ত পারমানবিক কেন্দ্রে কোন অচিন্তনীয় দুর্ঘটনা যদি ভবিষ্যতে ঘটে, সে সময়ে ও আপদকালীন ব্যবহারের নিমিত্ত, এ বিমান বন্দর সচল রাখা অতীব প্রয়োজন বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা।
পর্যটন :পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক, পাবনা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পর্যটক আকর্ষনের জন্য বিবিধ কার্যক্রম গ্রহনের উদ্যোগ ইতিমধ্যে গ্রহন করা হয়েছে। তারই আলোকে, প্রাসঙ্গিক ঈশ্বরদী এলাকায় অবস্থিত যে সকল স্থান সমূহ পর্যটকদের ভ্রমনের জন্য গুরুত্বপূর্ন তার কয়েকটির নাম নিম্নে বিবৃত হ’লঃ

ক. শত বছরের ঐতিহ্যবাহী হার্ডিজ ব্রিজ এবং পদ্মা নদীর উপরে নির্মিত দেশের প্রথম সেতু তথা লালন সেতুর মিলন স্থান।
খ. পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের পার্শ্বে পড়ে থাকা ১৮৮৯ খ্রিঃ রূপসা বাগেরহাট সেকশনে চালু হওয়া প্রথম ব্যারোগেজ ট্রেন ইঞ্জিনটি।
গ.  তার পাশে ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধকালে হার্ডিজ ব্রিজ এলাকায় নিক্ষিপ্ত বোমার অংশ বিশেষ।

ঘ. জাতীয় প্রতিষ্ঠান ইক্ষু গবেষনা কেন্দ্র ও ডাল গবেষনা কেন্দ্র।

ঙ. নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল।

  চ. বেনারসী পল্লী ( রেলওয়ে কলোনীর পাশে ফতে মোহাম্মদপুর এলাকায় অবস্থিত)
এ পটভুমিতে ধারনা পাওয়া যায়, পর্যটকদের বিশেষ করে বিদেশী নাগরিকগনকে পর্যটক হিসেবে আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে, যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে এ বিমান বন্দরকে চালু করা গেলে, এ ক্ষেত্রে ঈর্ষনীয় অগ্রগতি লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।
দেশের বিদ্যমান ৮টি ইপিজেড ( ঊচত= ঊীঢ়ড়ৎঃ চৎড়পবংংরহম তড়হব) এর একটি হচ্ছে, অত্র জেলাধীন ঈশ্বরদী উপজেলায় অবস্থিত “ ঈশ্বরদী ইপিজেড”। ৩০৮.৯৭ একর এলাকায় অবস্থিত প্রতিটি কম/বেশী ২০০০ বর্গ মিটার এলাকা নিয়ে ২৯০টি প্লটে বর্তমানে ১০০% বিদেশী মালিকানার ইন্ডাস্ট্রিজ রয়েছে ০৭ টি । যৌথ মালিকানায় ০১টি সহ ১০০% দেশীয় ব্যক্তি মালিকানার ইন্ডাস্ট্রিজ রয়েছে ০৭টি ।
এছাড়া অতি শীঘ্রই অপারেশনে যাবে এরূপ ইন্ডাস্ট্রিজ আছে ০৫টি। অনুমোদিত তবে এখনো শুরু হয়নি, এরূপ ইন্ডাস্ট্রিজ রয়েছে ০৩ টি। এতদ্ব্যতীত বাস্তবায়নাধীন রয়েছে অতিরিক্ত ০৫টি ইন্ডাস্ট্রিজ। এই সকল ফ্যাক্টরীতে, বর্তমানে সাড়ে আট হাজার স্থানীয় এবং বিদেশী শ্রমিক/কর্মচারী, এ কার্যক্রমে নিজেরা নিজেদেরকে বর্তমানে ব্যপৃত রেখেছে।
যেহেতু ইপিজেড এর উল্লেখযোগ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার সস্তা শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত দ্রব্য বিদেশে রপ্তানী করা, সে হিসেবে প্রস্তাবিত বিমান বন্দরটি অপারেশনাল করা গেলে, প্রাসঙ্গিক কার্যক্রমে যেমন গতি আসবে, তেমনি এর অধিকতর শ্রীবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রস্তাবিত গঙ্গা ব্যারাজ : সম্প্রতি বাংলাদেশে গঙ্গা ব্যারাজ নির্মানে সহযোগিতায় রাজি হয়েছে প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্র ভারত। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে, পদ্মা তীরবর্তী পাবনা জেলা সহ এর আশে পাশের ৮ জেলার ( বৃহত্তর কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, খুলনা, বরিশাল, পাবনা ও রাজশাহী ) ১৯ লক্ষ হেক্টর জমিতে সেচের সুবিধা তৈরী হবে। ফলে খাদ্য ও মাছের উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি প্রায় ১২৫ মেঃ ওঃ বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। ভারতের সাথে সম্পাদিত ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তিতে বাংলাদেশ যে পানি পায়, বর্তমানে বাংলাদেশ তা ধরে রাখতে পারছে না। ভারত থেকে প্রবাহিত পানি শেষ পর্যন্ত সাগরে চলে যাচ্ছে। তাই গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি অনুযায়ী, ভারত থেকে পাওয়া পানির সদ্ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ গঙ্গা ব্যারাজ তৈরী করতে চায়।
দীর্ঘ ৫৫ বছর পর এক্ষেত্রে ভারত প্রথম, তাদের ইতিমধ্যে মনোভাব জানানোর প্রেক্ষাপটে, আগামী ডিসেম্বর/১৬ মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবিত ভারত সফরকালে, এই বিষয়ে ভারতের সম্পৃক্ততার গুরুত্বপূর্ণ ঘোষনা আসতে পারে মর্মে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, উজানের দেশ হওয়ায়, এ ক্ষেত্রে ভারতের সম্মতি ব্যতিেেক প্রস্তাবিত ব্যরাজ, তিস্তা ব্যারাজের মতই অকার্যকর হতে পারে। প্রাসঙ্গিক ব্যারাজ
নির্মানের কার্যক্রম শুরু হওয়া সাপেক্ষে, আনুসাঙ্গিক কার্যাদী সম্পাদন সহ এর ইতিবাচক ফল ভোগের ক্ষেত্রে অত্র এলাকায় নতুন করে হলেও, একটি বিমান বন্দরের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেবে। উক্ত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে, প্রাসঙ্গিক “ঈশ্বরদী বিমান বন্দর” টিকে অপারেশনাল করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে মর্মে অভিজ্ঞ মহল মনে করে।
বিবিআইএন(ইইওঘ) ফোরাম : সম্প্রতি বাংলাদেশ, ভুটান, ইন্ডিয়া এবং নেপালের মধ্যে, যোগাযোগ সহ আনুসঙ্গিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে, বিবিআইএন (ইইওঘ) নামক একটি ফোরাম গঠিত হয়েছে। এরই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি বাংলাদেশের নীলফামারী জেলাধীন সৈয়দপুরে অবস্থিত “সৈয়দপুর বিমান বন্দরটিকে’ আর্ন্তজাতিক মানে উন্নতি করার প্রচেষ্টা আরম্ভ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে নেপাল বাংলাদেশের নিকট থেকে বন্দর সুবিধা লাভের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে বাংলাদেশ এর দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত‘ পায়রা বন্দর” ইতিমধ্যে তার কার্যক্রম আরম্ভ করেছে। ভারতের সম্মতিতে ত্রিদেশীয়/ বহু দেশীয় ট্রানজিট ব্যবহারের বিষয়টিও, বাংলাদেশ বর্তমানে বিবেচনা করছে। সার্বিক বিষায়াদী বিবেচনায় নিয়ে ধারণা পাওয়া যায় যে, বাংলাদেশের উত্তর- পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে ভারত, নেপাল, ভুটানের সাথে সৈয়দপুর বিমান বন্দর হয়ে, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে, শীঘ্রই সেতু বন্ধন তৈরীর উজ্জল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
উক্ত বিষয়টি বিবেচনায় নিলে, অতিসত্তর উত্তরাঞ্চলের অন্যতম জেলা তথা অত্র পাবনা জেলায় অবস্থিত “ঈশ্বরদী বিমান বন্দরটি” অপারেশনাল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরী হয়ে পড়েছে বলে পর্যবেক্ষক মহলের ধারনা। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত অব্যবহৃত বিমান বন্দর সমূহকে চালুর বিষয়ে, অতি সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) কর্তৃক বিবিধ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা যায়। আরও জানা যায়, তারই অংশ হিসেবে নীলফামারী জেলায় অবস্থিত “সৈয়দপুর বিমান বন্দর” এবং “বরিশাল অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর” উন্নয়নে ইতিমধ্যে প্রকল্প গ্রহণ করেছে বেবিচক। ইতিমধ্যে এ দু’টি বিমান বন্দরের উন্নয়নে বিস্তারিত সমীক্ষা, ড্রয়িং, ডিজাইনের জন্য, পরামর্শক নিয়োগ চুড়ান্ত হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। একইভাবে ‘বাগেরহাট খানজাহান আলী বিমান বন্দর’ নির্মাণ প্রকল্পের জন্য পরামর্শক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানা যায়। অপরদিকে ‘কক্সবাজার বিমানবন্দরকে’ আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে রূপ দিতে, রানওয়ে বড় করার কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। এতদ্ব্যতীত ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর’ নির্মাণের লক্ষ্যে, এ প্রকল্পের বিস্তারিত সমীক্ষা সম্পাদনের জন্য জাপানী পরামর্শক প্রতিষ্ঠান “নিক্সন কোই কোম্পানী লিঃ” কে নিয়োগ দিয়ে ইতিমধ্যে বেবিচক কর্তৃক কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।
দেশের স্বাভাবিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতার সাথে সমন্বয় রেখে, বর্তমানে অনেকটা নন-অপারেশনাল হিসেবে পড়ে থাকা “ঈশ্বরদী বিমান বন্দর” টিকে সচল করা গেলে, পাবনা তথা উত্তরাঞ্চল সহ পুরো দেশের উন্নয়নে তা ভাল ভূমিকা রাখতে পারবে বলে প্রতীয়মান হয়।
—

এই সংবাদটি 671 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ