আজ শুভ বড়দিন

প্রকাশিত: ১:০১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৬

আজ শুভ বড়দিন

আজ শুভ বড়দিন। আজ থেকে দুই সহস্রাধিক বছর আগে  জন্মেছিলেন খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিস্ট। ৩৩ বছরের স্বল্পস্থায়ী জীবনে তিনি মানুষকে শুনিয়েছেন শান্তির বাণী, ভালোবাসার কথা। হিংসা-দ্বেষ, পাপ-পংকিলতা থেকে মানুষকে মুক্ত করাও ছিল তার প্রবর্তিত ধর্মের অন্যতম মূল কথা। তার শান্তির বাণী শাশ্বত, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার জন্য প্রযোজ্য।

মুসলমানদের কাছে অন্যতম নবীও- যিনি হজরত ঈসা (আ.) নামে পরিচিত। মতবাদ প্রচারের সময় অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন । কিন্তু কোনো নির্যাতন-নিপীড়নই তাকে সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। মানুষকে জয় করার হাতিয়ার ছিল তার সংযম ও সহিষ্ণুতা।

 বর্তমান যুদ্ধ-বিগ্রহ ও সংঘাতময় এ পৃথিবীতে যিশুর বাণী কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। যিশু বিশ্বাস করতেন ঈশ্বরের শক্তিতে।

প্রতিবছর এই দিনে বিশ্বের খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ও আনন্দঘন পরিবেশে উৎসব পালন করে থাকে। দিনটি উপলক্ষে যিশুখ্রিস্টের জন্মের কাহিনী পাঠ ও ধ্যান করা হয়। সেই কাহিনী অবলম্বনে গির্জাঘরে, এমনকি প্রত্যেক বাড়িতে গোশালা নির্মাণ করে ফুলপাতা দিয়ে সাজানো হয়। এর সঙ্গে গান-বাজনা, নাম-সংকীর্তন, ভোজন, আনন্দ-উল্লাস ইত্যাদি চলে। এসব বাহ্যিক উৎসব-আয়োজনের ঊর্ধ্বে খ্রিস্ট বিশ্বাসীরা তাদের হৃদয়-মন ও অন্তরাত্মাকে পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করতে প্রয়াসী হন।

 বড়দিনের উৎসবে অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষও যোগ দিয়ে থাকে এবং আনন্দ ভাগ করে নেয়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এ এক অনন্য দৃষ্টান্ত। বড়দিন উপলক্ষে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর সব খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীর প্রতি রইল শুভেচ্ছা।

এই সংবাদটি 503 বার পঠিত হয়েছে